মুর্শিদাবাদের গর্ব ইমদাদুল ইসলাম

Please share this post

নিজস্ব প্রতিনিধি, সুতি

দ্বিভাষিক কবি ও কলমচারী ইমদাদুল ইসলাম জন্ম গ্রহণ করেন ৬ই সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে মুর্শিদাবাদ জেলার, বর্তমান ডোমকল পৌরসভার অন্তর্গত নিতান্ত পিপঁড়াপুড়ি নামক গ্রামে। তাঁর পিতার নাম মরহুম নুর মোহাম্মদ মণ্ডল এবং মাতা কোহিনুর বেওয়া। পেশায় শিক্ষক এই সাহিত্যানুরাগী তাঁর চার ভাই বোনের মধ্যে কনিষ্ঠতম। মধুরকুল হাই স্কুল থেকে তাঁর স্কুল লাইফের পড়া শোনা শেষ করে তিনি নদীয়ার করিমপুর পান্না দেবী কলেজ থেকে স্নাতক ও IGNOU থেকে ইংরেজি সাহিত্যে মাস্টার ডিগ্রি অর্জন করেন।
কলেজ লাইফ থেকেই তাঁর ইংরেজি সাহিত্য চর্চার দিকে ঝোঁক থাকলেও পরবর্তীতে প্রচুর বাংলা কবিতাও লিখেন। মূলত তিনি ইংরেজি কবিতা ও ডিটেকটিভ গল্প লিখতে ভালোবাসেন। “সেতু”, আলোর সন্ধানে ও “বাংলার রেনেসাঁ” এর মত অনেক সাহিত্য ম্যাগাজিনে তিনি প্রায় নিয়মিত লিখলেও Europe এর Italian online magazine Taifas থেকেও তাঁর লেখা ইংরেজি কবিতা প্রকাশিত হয়ে থাকে। লেখকের “ছন্দ কুসুম”(বাংলা) এবং “Rhythm Blossom” (English) নামে দুটি কাব্যগ্রন্থ খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের পথে।
ইতালি থেকে প্রকাশিত Midnight in the Garden of Peace নামক International Anthology বইটিতেও তার পাঁচটি তাৎপর্য পূর্ণ কবিতা স্থান পেয়েছে।
এই বিশিষ্ট কবির বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার গুলো হলো যেমন_
1. UNITED NATIONS ও UNESCO দ্বারা স্বীকৃত বিভিন্ন সাহিত্য ও মানবাধিকার সংস্থা থেকে পাওয়া পাঁচটি International Honorary Doctorate Certificate এর প্রাপ্তি।
2. “Ambassador of peace” from World Literary Forum for Peace and Human Rights, registered with WIOC-WUN.
3. “Certificate of Excellence” from The Dream of Equality (A literary organization of Albania , Europe).
4. আন্তর্জাতিক কবি নজরুল স্মৃতি স্মারক সম্মাননা। প্রদানকারী সংস্থা_ বাংলার রেনেসাঁ পত্রিকা।
5. “সীরাতুন্নবী স্মারক সম্মান”। প্রদানকারী সংস্থা_ বাংলার রেনেসাঁ পত্রিকা।
6. “Dimond Award” from International Congress of Poets_ 2022, Romania.
7. “মাসিক কৃপা সম্মাননা”
প্রদানকারী সংস্থা_ কৃপা সাহিত্য পরিষদ, ত্রিপুরা।
8. International Humanitarian Org. for Autism and Special Needs থেকে প্রাপ্ত Humanitarian Honour Certificate
9. Alfayad International Academy for peace , culture and Arts (Egypt)এবং World Spiritual Humanity, peace and Literary Association(Bangladesh) থেকে High Honour Award.
এছাড়াও এই কলমচারীর ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য দেশ বিদেশের অনলাইন কবিতা প্রতিযোগিতায় বিজয়ের সনদ সমূহ। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু ও স্বাচ্ছন্দ্যময় সাহিত্য জীবন কামনা করে ।

তাঁর একটি পেত্রারকান সনেট উল্লেখ করা হলো:-
প্রত্যুষ

প্রত্যুষ লগনে দেখো দিবাকর হাসে,
যামিনী কাটে আঁধারে নাহি পাই আশ,
দিবালোকে তবু যেনো কষ্টে নিই শ্বাস,
মনে বলে রবি যেন রক্তিম প্রভাসে।
দিবা কালের সূচনা রক্ত রঙে হাসে,
কেমনে শান্ত রহিবে ধরণীর বাস,
তবু যেন কভু মোরা নাহি ছাড়ি আশ,
রক্ত যেন নাহি খেলে মোদের আবাসে।

হোক না শুরু দিবস প্রকৃতির লালে,
কভু নাহি ভাবো তারে রাঙা রক্ত দিয়ে,
এসো গড়ি পৃথ্বী ধাম উজ্বল ভুবনে।
রক্ত ঝঞ্ঝা ছাড়া চলি সদা সর্ব কালে,
যুদ্ধ দাঙ্গা ছাড়া বলি মানবতা নিয়ে,
প্রশান্তি প্রমোদে রহি আত্মীয় স্বজনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.